দ্রুত বীর্যপাত সমাধান – পুরুষের গোপন সমস্যা

অজ্ঞানতার কারণে পুরুষের একটি বিশেষ সমস্যা দ্রুত বীর্যপাত নিয়ে বিভ্রান্তি হয়। এ ধরণের সমস্যা দেখা দিলে অনেকে লজ্জায় ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে চাননা অনেকেই । ফলে পারিবারিক সমস্যা হতে পারে। অনেকে হতাশায় আক্রান্ত হয়ে সব কিছুর উপর আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। অন্য দিকে স্ত্রী ডিপ্রেসিভ রোগে আক্রান্ত হন এবং স্বামীর সংসারের প্রতি অমনোযোগী হয়ে পড়েন।

দ্রুত বীর্যপাত সমাধান – পুরুষের গোপন সমস্যা
মানসিক উত্কণ্ঠা, দুঃশ্চিন্তা, ডায়াবেটিসসহ বেশ কিছু রোগের কারণে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। মানসিক অস্থিরতা, দুঃশ্চিন্তা বা কখনও কখনও বিয়ের প্রথম দিকে হতে পারে। গবেষণায় দেখা যায় মানুষের মস্তিষ্কে বিশেষ এক ধরণের রিসেপ্টর আছে যাকে বলা হয় সেরাটোজেনিক রিসেপ্টর বা 5, HT রিসেপ্টর। জন্মগতভাবে এই রিসেপ্টর কম থাকলে বা কোন কারণে এর কার্যকারিতা কমে গেলে এ ধরণের সমস্যা বা রোগ দেখা দিতে পারে। চিকিত্সা বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা হয় দ্রুত বীর্যপাত, প্রিমেচিওর ইজাকুলেশন বা সংক্ষেপে রেপিড ইজাকুলেশন বা পি.ই.বলে।
এবার আসুন দেখি

সেক্সটাইম বাড়ানোর নিয়ম

গবেষণায় এটা প্রমাণীত হয়েছে যে এটা প্রাথমিকভাবে এক ধরণের নিউরো-বায়োলজিক্যাল অসুস্থতা, যা পরবর্তিতে সাইকোলজিক্যাল বা সাইকে সোসাল বিপত্তি ঘটায়। ইন্টা বা ইনটারপারসোনাল ও কৃষ্টিগত ফ্যাক্টরের উপর নির্ভর করে রেপিড ইজাকুলেশনকে পি.ই. বলা হয়। সাধারণভাবে এটা মনে করা হয় যে বয়স বাড়ার সাথে সাথে ইজাকুলেশন টাইম বাড়ে এটা স্বাভাবিক পুরুষের ক্ষেত্রে সত্য কিন্তু যারা পি.ই. তে ভুগছেন তাদের বেলায় নয়।

দ্রুত বীর্যপাত রোগের চিকিত্সার ক্ষেত্রে একই সাথে সাইকোথেরাপি এবং ওষুধ প্রয়োগের ক্ষেত্রে তিন ধরণের স্ট্রেটেজি গ্রহণ করা হয়। প্রথমত: প্রতিদিন ওষুধ প্রয়োগ, দ্বিতীয়ত: যখন প্রয়োজন তখন ওষুধ প্রয়োগ এবং তৃতীয়ত: ট্রপিক্যাল এনেসথেটিক ওষুধ প্রয়োগ। ওষুধ প্রয়োগ করে এক্ষেত্রে বেশ সুফল পাওয়া যায়। সাইকোজেনিক ইস্পোটেন্সি সাধারণত দুঃশ্চিন্তা,মানসিক অবসাদ, ধর্মীয় অনুশসান, সেক্স ফোবিয়া, পারভারসন বা অতীতের বেদনা দায়ক স্মৃতির কারণে হতে পারে।

এ বিষয়ে আরও পড়ুন   স্ত্রীর প্রতি বাসর রাতে ভুল ধারনা

সিলডানাফিল গ্রুপের ওষুধ এই সব রোগীদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। এছাড়াও এসব রোগীদেরকে সাইকোথেরাপি দেয়া প্রয়োজন। সাইকোজেনিক ছাড়াও নিউরোজেনিক, ভাসকুলোজেনিক ও হরমোনাল টাইপের ইরেক্টাইল ডিসফাংশন দেখা যায়।