জ্বর নয়, জ্বর–জ্বর ভাব?

গা গরম হওয়া আর জ্বর এক নয়। একজন সুস্থ ব্যক্তির শরীরের তাপমাত্রা সকালে তাপমাত্রা ৯৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি বা সন্ধ্যার পর ৯৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি হলে জ্বর হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।
প্রায়ই যদি জ্বর আসে
প্রায়ই সন্ধ্যায় হালকা জ্বর, রাতে ঘেমে যাওয়া—তার পাশাপাশি কাশি, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি সমস্যা হলে যক্ষ্মার আশঙ্কা করা হয়। জ্বরের সঙ্গে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, তলপেটে ব্যথা হলে মূত্রনালি কিংবা মূত্রথলির সংক্রমণ হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যায়। শরীরে নানা রোগজীবাণুর সংক্রমণের কারণেই দীর্ঘমেয়াদি জ্বর হয়। কালাজ্বর, গোদরোগ, ম্যালেরিয়াসহ নানান রোগের জীবাণু নির্দিষ্ট এলাকা থেকে সংক্রমিত হতে পারে।
গা গরম?
আবহাওয়া ও আর্দ্রতার তারতম্যের কারণে গা গরম হতেই পারে। বয়স্ক নারীদের হরমোনের তারতম্যের কারণে গা ও মাথা গরম হয়ে যেতে পারে। সাধারণ সংক্রমণ দু-এক সপ্তাহেই সেরে যায়। তবে দীর্ঘমেয়াদি জ্বর হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। জ্বরের সঠিক কারণ নির্ণয় না করে অকারণ অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা উচিত নয়। এতে পরে রোগনির্ণয়ে সমস্যা হয়। কানের পেছনে বা বগলে থার্মোমিটার লাগিয়ে খুব সহজেই জ্বর মাপা যায়। নির্দিষ্ট সময় পরপর তাপমাত্রা মেপে লিখে রাখলে সঠিক রোগনির্ণয় করতে সুবিধা হয়।
ডা. মো. রোবেদ আমিন
মেডিসিন বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

এ বিষয়ে আরও পড়ুন   বাড়ছে যৌনবাহিত রোগ : প্রয়োজন সচেতনতা