কাজের সময় আচমকা হেঁচকি

হেঁচকি ওঠা যেমন বিরক্তিকর তেমনি দুর্ভোগের। ভুক্তভোগী মাত্রই এটা জানেন। কাজের সময় আচমকা হেঁচকি শুরু হলে বিরূপ পরিস্থিতিতে পড়তে হয়।

হেঁচকির কারণ

খাবারের তারতম্য, দ্রুত খাবার গিলে খাওয়া, খুব ভরপেট খাওয়া, খাবারের সঙ্গে মুখে বাতাসের প্রবেশ, ধূমপান, অতিরিক্ত কোমল পানীয় গ্রহণ, চুইংগাম চিবানো, খাদ্যনালির সমস্যা প্রভৃতি কারণে হেঁচকি উঠতে পারে। বুক ও পেটের মধ্যে বিশেষ পর্দায় সমস্যা হলে হেঁচকি উঠতে পারে। ধোঁয়াচ্ছন্ন জায়গায় থাকলে কিংবা শিশুরা দীর্ঘক্ষণ কাঁদলে বা কাশলেও হেঁচকি উঠতে পারে। হেঁচকির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হচ্ছে মনঃসংযোগহীনতা বা মনস্তাত্ত্বিক অসুবিধা। কখনো স্ট্রোকের পরে এবং মস্তিষ্ক ও যকৃতের কিছু রোগের কারণে হেঁচকি উঠতে পারে। ঘুমের ওষুধ, দুশ্চিন্তা কমানোর ওষুধ ইত্যাদি সেবনের কারণেও হেঁচকি হতে পারে।

মুক্তির উপায়

* শ্বাস বন্ধ রেখে একবারে এক গ্লাস পানি পান করুন।

* নাক বন্ধ রেখে নিশ্বাস ছাড়তে চেষ্টা করুন।

* গলায় আঙুল দিয়ে বমি করার চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

* এক চামচ চিনি বা মধু মুখে নিয়ে চুষে খেতে পারেন।

* নাকের সামনে পলিথিন ব্যাগ রেখে তার মধ্যে নিশ্বাস ছাড়ুন এবং শ্বাস নিন।

* আশপাশের মানুষের উচিত হবে হেঁচকিতে আক্রান্ত ব্যক্তির মনোযোগ অন্যদিকে সরানোর চেষ্টা করা। যেমন হঠাৎ করে তাঁকে চমকে দিন বা কোনো প্রশ্ন করুন।

হেঁচকি নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। তবে কখনো চিকিৎসকের সাহায্য লাগতে পারে। যেমন

* তিন ঘণ্টার মধ্যে হেঁচকি না থামলে

* হেঁচকির কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে বা খেতে না পারলে

* হেঁচকির সঙ্গে জ্বর, কাশি, তীব্র পেটব্যথা, মাথাব্যথা থাকলে

* দীর্ঘদিন ধরে প্রায়ই অস্বাভাবিক বেশি হেঁচকি উঠলে।

অধ্যাপক খান আবুল কালাম আজাদ
মেডিসিন বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
স্বাস্থ্যবটিকা ® ব্রোন স্মিথ
ব্রণ দূর করার প্রাকৃতিক উপায় আছে কি?
থাইম নামের একধরনের সুগন্ধি লতা বেশ আগে থেকেই ব্যাকটেরিয়া রোধে কার্যকর বলে পরিচিত। এটির নির্যাস ব্রণ সারাতে পারে। যুক্তরাজ্যে এক গবেষণায় দেখা যায়, ব্রণের চিকিৎসায় সাধারণ বেনজয়েল মিশ্রণের তুলনায় থাইমের সঙ্গে গাঁদা ফুল ও গন্ধরস মিশিয়ে তৈরি ওষুধ ভালো কাজ করে।
‘স্বাস্থ্যবটিকা’র লক্ষ্য রোগনির্ণয় গোছের কিছু নয়
প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: নখ মরে যাওয়া কি কোনো রোগ? এর কি চিকিৎসা আছে?
উত্তর: বিভিন্ন রোগের লক্ষণ হিসেবে নখ মরে বা ভেঙে যেতে পারে। নখে ছত্রাকের সংক্রমণ, কিছু চর্মরোগ, দীর্ঘমেয়াদি কোনো রোগ বা আয়রনের অভাব হলে এমনটা হতে পারে। সমস্যার সঠিক কারণ না জেনে নিজেই কোনো চিকিৎসা নেওয়া বা নখ চেঁছে বা তুলে ফেলা ঠিক নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয়ের পর চিকিৎসা নিতে হবে। এমনকি অস্ত্রোপচারও লাগতে পারে।
অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান
মেডিসিন বিভাগ
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ

এ বিষয়ে আরও পড়ুন   মেয়েদের যৌনতা নিয়ে জিজ্ঞাসা? এবং এর সমাধানঃ