ইসলামে স্ত্রী সাথে সহবাসের কিছু গুরুত্বপূর্ণ আদব

ইসলামের প্রতিটি জিনিসেই একটা নিয়ম বা আইন আছে। স্ত্রীর সাথে যৌন মিলন করার ও একটা নিয়ম আছে। উক্ত প্রবন্ধে তা আলোচনা করা হবে।

– স্বামী-স্ত্রী উভয়ই পাক পবিত্র থাকতে হবে।

– কোন শিশু বা পশুর সামনে সংগমে রত হবে না

– মুস্তাহাব হলো “বিসমিল্লাহ” বলে সহবাস শুরু করা। ভুলে গেলে যখন বীর্যপাতের পূর্বে মনে মনে পড়ে নেবে।

– সহবাসের পূর্বে সুগন্ধি ব্যবহার করাও আল্লাহর রাসুলের [সা.] সুন্নত।

– দুর্গন্ধ জাতীয় জিনিস পরিহার করা উচিত। উল্লেখ্য যে , ধুমপান কিংবা অপরিচ্ছন্ন থাকার কারণে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। আর এতে কামভাব কমে যায়। আগ্রহের স্থান দখল করে নেয় বিতৃষ্ণা।

– পর্দা ঘেরা স্থানে সংগম করবে।

– সংগম শুরু করার পূর্বে শৃঙ্গার (চুম্বন, স্তন মর্দন ইত্যাদি) করবে।

– কোনোভাবেই কেবলামূখী না হওয়া।

– স্বামী-স্ত্রী উভয়ই একেবারে উলঙ্গ হবে না।

– বীর্যপাতের পর ততক্ষণাত বিচ্ছিন্ন হবে না, বরং স্ত্রীর বীর্যপাত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে।

– বীর্যপাতের সময় মনে মনে নির্ধারিত দোয়া পড়বে। কেননা যদি সে সহবাসে সন্তান জন্ম নেয়
তাহলে সে শয়তানের প্রভাব মুক্ত হবে।

– নিয়ত ঠিক করুন। হযরত আলী (রা.) তাঁর অসিয়ত নামায় লিখেছেন যে, সহবাসের ইচ্ছে হলে এই নিয়তে সহবাস করতে হবে যে, আমি ব্যভিচার থেকে দূরে থাকবো। আমার মন এদিক ওদিক ছুটে বেড়াবেনা আর জন্ম নেবে নেককার ও ভালো সন্তান।

এই নিয়তে সহবাস করলে তাতে সওয়াব তো হবেই সাথে সাথে উদ্যেশ্যও পূরণ হবে, ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে বুঝার এবং আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

এ বিষয়ে আরও পড়ুন   আপনি কি আপনার যৌন জীবন নিয়ে সুখি না? তাহলে এ পোস্ট আপনার জন্য।