মানব দেহের পুষ্টি পূরণে কলা

কলা পুষ্টিকর একটি ফল।এটি আমোরা সারা বছর কমবেশি পেয়ে থাকি। এর পুষ্টিগুণ অধিক। এতে রয়েছে দৃঢ় টিস্যু গঠনকারী উপদান যথা আমিষ, ভিটামিন এবং খনিজ। কলা ক্যালরীর একটি ভাল উৎস। এতে কঠিন খাদ্য উপাদান এবং সেই সাথে পানি জাতীয় উপাদান সমন্বয় যে কোন তাজা ফলের তুলনায় বেশি। একটি বড় মাপের কলা খেলে ১০০ ক্যালরির বেশী শক্তি পাওয়া যায়। কলাতে রয়েছে সহজে হজমযোগ্য শর্করা। এই শর্করা পরিপাকতন্ত্রকে সহজে হজম করতে সাহায্য করে। গবেষকরা জানান, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ নিশ্চিত করতে দেহে পটাসিয়ামের উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি। এছাড়াও দেহে পটাসিয়ামের আদর্শ উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে কমে যায় স্ট্রোকের ঝুঁকিও। আর এই উপকারী পটাসিয়াম কলায় আছে প্রচুর পরিমাণে। গবেষকরা দেখেছেন, একটি কলায় প্রায় ৫০০ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম থাকে। আর মানবদেহে প্রতিদিন ১৬০০ মিলিগ্রাওম পটাসিয়ামের যোগান দেয়া গেলেই স্ট্রোকের হাত থেকে বছরে বেঁচে যেতে পারে ১০ লাখ মানুষ।

নিম্নে কলার কিছু পুষ্টি গুন উপস্থাপন করা হলো-
১. কলাতে প্রচুর পরিমাণে শর্করা, আমিষ, ভিটামিন ও খনিজ লবণ রয়েছে।
২. এর মধ্যে সামান্য আমিষ, কিঞ্চিত ফ্যাট, পর্যাপ্ত খনিজ লবণ ও যথেষ্ট আঁশ রয়েছে। খনিজ লবনের মধ্য আছে পটাশিয়াম,ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও লৌহ।
৩. কলায় ভিটামিন এ, বি ও কিছুটা সি রয়েছ।
৪. একটি কলা প্রায় ১০০ ক্যালোরির শক্তির যোগান দেয়।
৫. কলায় রয়েছে হজম যোগ্য শর্করা, যা শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে ক্লান্তি দুর করতে সহায়ক।
৬. কলা হজমে সাহায্য করে।
৭. গ্রাষ্টিক ও আলসারের রোগীদের জন্য কলা ভীষণ উপকারী।
৮. কলা কোষ্ঠকাঠিন্য, পাতলা পায়খানা দুরকরতে উপযোগী।
৯. কালা রক্তের চাপ কমাতে সাহায্য করে।
১০. বাতের ব্যথা নিরাময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এ বিষয়ে আরও পড়ুন   মসুর ডালের পুস্তি গুন