রাতের খাবারের যে অভ্যাস গুলো আপনার ওজন বাড়ানোর জন্য দায়ী

বাড়তি ওজনের সমস্যা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপদে আছেন। কী কারণে ক্রমশ বাড়ছে ওজন সেটাও বুঝতে পারছেন না অনেকেই। মেদ বৃদ্ধি পাওয়াটা অনেক সময় খাবার খাওয়ার অভ্যাসের কারণে হয় আবার অনেক সময়ে খাবার নির্বাচনের কারণে।

বিশেষ করে রাতের খাবারের কিছু বিশেষ অভ্যাস বাড়িয়ে দিতে পারে আপনার ওজন। জেনে নিন রাতের খাবারের কিছু প্রচলিত অভ্যাস সম্পর্কে যেগুলো আপনার ওজন সমস্যার জন্য অনেকখানি দায়ী।

সারাদিনে সবচাইতে বেশি রাতে খাওয়া

অনেকেই মুটিয়ে যাচ্ছেন বলে সকালের নাস্তা খান না। আবার দুপুরেও কাজের চাপে তেমন খাওয়া হয় না। ফলে রাতের খাবারটাই হয়ে দাঁড়ায় সারাদিনের মূল খাবার।

আর তাই রাতে প্লেট ভরে অনেক গুলো খেয়ে ফেলা হয়। কিন্তু এই অভ্যাসটা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর এবং আপনার অজন বৃদ্ধির জন্য দায়ী। সকালে ভারী নাস্তা করে, দুপুরে মোটামুটি খেয়ে, রাতে একেবারেই কম খাওয়াটাই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

ঠিক ঘুমাতে যাওয়ার আগে খাওয়া

রাতের বেলা ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরে অনেকেই ডিনারটা করেই ঘুমিয়ে পড়েন। যাদের এই অভ্যাস আছে তারা বাড়তি ওজনের সমস্যায় ভুগে থাকেন, কারণ খাওয়ার ঠিক পর পর ঘুমানো একেবারেই উচিত না। তাই রাতের বেলা খাওয়ার কমপক্ষে এক/দুই ঘন্টা পর ঘুমানো উচিত।

রাতে খাওয়ার পড়ে ডেসার্ট/কোমল পানীয় খাওয়া

রাতে খাওয়ার পড়ে অনেকেই একটু মিষ্টিমুখ করে থাকেন। কেউ কেউ আবার খাওয়ার পর এক গ্লাস কোক খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করে ফেলেছেন। যাদের এই ধরণের অভ্যাস আছে তারা সাধারণত মেদ ভুঁড়ির সমস্যায় ভুগে থাকেন। তাই রাতের খাবারের পর মিষ্টি জাতীয় খাবার কিংবা কোমল পানীয় খাওয়ার অভ্যাস থাকলে সেটা ত্যাগ করাই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

টিভি দেখতে দেখতে খাওয়া

টিভিতে পছন্দের সিরিয়াল কিংবা সিনেমা দেখতে দেখতে অনেকেই রাতের খাবার খেয়ে থাকেন। টেলিভিশন দেখার সময় খাওয়ার অভ্যাস থাকলে বেখেয়ালে অনেক বেশি খাওয়া হয়ে যায়। অন্যমনষ্ক থাকার কারণে আপনি ঠিক কতটুকু খেয়ে ফেলছেন সেটা খেয়াল করা হয়না। ফলে অপরিমিত খাওয়া হয় এবং ওজনটা বেশ দ্রুত বেড়ে যায়।

এ বিষয়ে আরও পড়ুন   বাবা-মা দু-জনের হাই প্রেশার থাকলে সন্তানের হওয়ার আশঙ্কা ৬৫-৭০ শতাংশ৷

বড় পাতে খাওয়া

যারা বড় পাতে খাবার খেয়ে থাকেন তাদের ওজন বাড়ে বেশ দ্রুত। আর তাঁর কারণ হলো বড় পাতে খাবার নেয়ার সময় পরিমাণটা বোঝা যায়না। ফলে একটু বেশিই নেয়া হয়। আর বেশি খাওয়ার ফলে ওজনটাও বেড়ে যায় দ্রুত।